Posts

" আবার এসো " " Aabar aEso "

Image
( " আবার এসো " কোনো সংগঠন, সংস্থা বা এর কোনো দল নেই কিন্তু সবার সাথে সবার পাশে সবসময় আছে ) গত 8/12/2020  কোচবিহার VIP মোড়ে এক পথ সারমেয় র উপর  জনৈক ব্যক্তির প্রাণঘাতী আক্রমণ তথা পশু শ্রেণীর উপর সমাজে উত্তরোত্তর বেড়ে চলা নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানবিক প্রতিবাদ ও সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্য নিয়ে  CARPS  এর উদ্যোগে ও  United Forum of Cooch Behar district Social organizations এর সহযোগিতায় আজ 10.12.2020 তারিখে বিকাল 3.30 মিনিটে স্থানীয় VIP মোড়ে এক স্বতস্ফূর্ত প্রতিবাদ সভা করা হোলো  উক্ত সভায় "United" এর সকল সদস্য সংস্থার সদস্যদের এবং স্থানিয় মানুষের  উপস্থিতিতে....

" আবার এসো " " Aabar Eso"

Image
আবার এসো র যাত্রা শুরু হয়  ( 8.11.2018 ) তে। ব‍্যবসার তাগিদে নয় শুধু একটু মানুষের পাশে থাকার জন‍্য। এই মন্ত্র নিয়েই শুরু হয় মাত্র দশ টাকায় ভাত, ডাল, সবজি ও আচার ।  উদ্দ‍্যোগ টি নেওয়া হয় সম্পূর্ণ ব‍্যক্তিগত ও নিজের উদ্দ‍্যোগে  এবং পরিবার কে পাশে নিয়েই এর যাত্রা শুরু করা হয়। সর্বসাধারনের জন‍্য এটি প্রত‍্যোহ সকাল দশ টা থেকে বিকেল তিনটা পযর্ন্ত মানুষ এই পরিশেবা টি নিয়ে থাকেন। এখানে সম্পূর্ণ নিরামিষ রান্না হয়।   পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকটিও গূরুত্ত্ব সহোকারে দেখা হয়।  সোম থেকে শনিবার পযর্ন্ত " আবার এসো " চলে। covid 19 এর আগ পযর্ন্ত " আবার এসো " তে গড়ে 50 থেকে 60 জন মানুষ খাওয়া দাওয়া করতো। কিন্তু covid 19 এর পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশিকা মেনেই এটি চলছে। বতর্মানে এখানে গড়ে 20 জন মানুষ এই পরিশেবা নিচ্ছেন। এটি কোনো সংস্থা, সংগঠন, রাজনৈতিক - দল দারা  না। এখানে কোনো রকম কোনো সহায়তা কেউ দেয় না। স্বেচ্ছায় এবং মনের থেকে, ভালোবাসার জায়গা থেকেই এটি করা হয়।  The journey of Eso starts again (8.11.2018). Not just for the sake of bus...

" আবার এসো " " Aabar Eso" সবাই কে অনুরোধ করছি লেখাটা একটু ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য 🙏🙏🙏🙏 ( ভালোবাসা কি ? )

Image
 চার  বছর আগে পরিচয় হয়েছিল বক্সিহাট হাই ইস্কুলের অঙ্কের  দিদিমনি তপতী মুখার্জী ও তার স্বামী কুশল মুখার্জীর সাথে এক রক্তদান শিবিরে..... তারপর থেকেই যোগাযোগ রেখে আসছিলাম সেই শিক্ষিত দম্পতির সাথে..... (9.05.2019 ) ঠিক সকাল এগারোটার সময় বক্সিহাটের বন্ধু নয়ন আমাকে ফোন করে বলছে.... তপতী ম‍্যাম পরলোক গমন করেছেন.... তার দেহের  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করতে চায় তার স্বামী..... একটু যোগাযোগ করতে হবে.....আমি আর দেরি না করে..... শিলিগুড়ীতে এক সংস্থার সাথে কথা বলি.....কিন্তু সংস্থার কর্তৃপক্ষ  বলে....একটি মৃত দেহের থেকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিতে হলে তার একটি নির্দিষ্ট সময় আছে যা আমরা সময়ের অনেক পরেই যোগাযোগ করি..... তার পর মাঝে অনেক সময় পেরিয়ে যায়....সেই দম্পতি তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য অনেক বারই বলেছিলো কিন্তু নানান কারনে যেতে পারিনি..... ঈশ্বরের এমন লিলা..... গেলাম তো দিদিমনি মারা যাওয়ার পর গেলাম..... তাও আবার ভাই শুভময়ের কথাতে ও তাকে সাথে নিয়ে  যাওয়ার পর....কুশল বাবু ও তার বাড়ির জরর্জীন অবস্থা দেখে আমি আকাশ থেকে পরে যাই.....