চার বছর আগে পরিচয় হয়েছিল বক্সিহাট হাই ইস্কুলের অঙ্কের দিদিমনি তপতী মুখার্জী ও তার স্বামী কুশল মুখার্জীর সাথে এক রক্তদান শিবিরে..... তারপর থেকেই যোগাযোগ রেখে আসছিলাম সেই শিক্ষিত দম্পতির সাথে..... (9.05.2019 ) ঠিক সকাল এগারোটার সময় বক্সিহাটের বন্ধু নয়ন আমাকে ফোন করে বলছে.... তপতী ম্যাম পরলোক গমন করেছেন.... তার দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করতে চায় তার স্বামী..... একটু যোগাযোগ করতে হবে.....আমি আর দেরি না করে..... শিলিগুড়ীতে এক সংস্থার সাথে কথা বলি.....কিন্তু সংস্থার কর্তৃপক্ষ বলে....একটি মৃত দেহের থেকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিতে হলে তার একটি নির্দিষ্ট সময় আছে যা আমরা সময়ের অনেক পরেই যোগাযোগ করি..... তার পর মাঝে অনেক সময় পেরিয়ে যায়....সেই দম্পতি তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য অনেক বারই বলেছিলো কিন্তু নানান কারনে যেতে পারিনি..... ঈশ্বরের এমন লিলা..... গেলাম তো দিদিমনি মারা যাওয়ার পর গেলাম..... তাও আবার ভাই শুভময়ের কথাতে ও তাকে সাথে নিয়ে যাওয়ার পর....কুশল বাবু ও তার বাড়ির জরর্জীন অবস্থা দেখে আমি আকাশ থেকে পরে যাই.....
আমার সামাজিক কাজের হিসেবে কোচবিহারে থাকাকালীন ডিএসপি চন্দন দাস মহাশয় এর হাত থেকে বই উপহার নিচ্ছি....যা আমার কাছে সৃতি হয়ে থাকবে.... While I was in Cooch Behar as a social worker, I was receiving a book from DSP Chandan Das Mahasaya .... which will be a memory for me ....
Comments
Post a Comment